1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৪:৪৭ আজ বৃহস্পতিবার, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




গাইবান্ধার মাকের্টে সুতি থ্রি পিস-ইন্ডিয়ান গ্রাউনের দখলে

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১৮
  • ২৫৩ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
রোজারে শুরু থেকেই এবার জমে উঠেছে গাইবান্ধার ছোট-বড় মার্কেটগুলো। ঈদের ভীর এরিয়ে বেশ আগে থেকেই কেনা-কেনা শুরু করেছেন অনেকেই। তবে সরকারি বেসরকারি চাকুরিজীবীরা বেতন ও বোনাস পাওয়ার পর শুরু করেছেন কেনা কাটা। ভারতীয় কাপড়ের চাহিদা থাকলেও এবার দেশি সুতি কাপড়েরর বিক্রি বেশি হচ্ছে।
মার্কেটগুলো পরিদর্শন করে দেখা যায়, গাইবান্ধার শহরের সুপার মার্কেটের কাপড়ের দোকানগুলোতে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা এবং ইফতারের পর ক্রেতাদের ভিড় শুরু হয়। তবে, উপজেলা পর্যায়ের মার্কেটে সন্ধ্যার আগেই ক্রেতারা কেনাকাটা শেষ করছেন।
অধিকাংশ ক্রেতাই বলছলেন গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি। তবে, পছন্দসই কাপড়-চোপড় পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা। গাইবান্ধা সালিমার সুপার মার্কেট এর এক ব্যবসায়ী জানান, পর্যাপ্ত জামাকাপড় রয়েছে। এ ঈদে বিক্রি না হলেও ঈদ উল আযাহায় বিক্রি হবে একারণে বেশি করে জামাকাপড় মজুদ করা হয়েছে। তবে কেনা বেচা গতবছরের চেয়ে বেশ ভাল বলে জানান তিনি।
মজার বিষয় হল চলতি বছর ভারতীয় কাপড়গুলোতে পেছনে ফেলে বাজার দখল করেছে দেশীয় সুতি কাপড়। গরমের কারণে দেশি সুতি থ্রি পিসগুলো সবার পছন্দ ও বিক্রির শীর্ষে রয়েছে। সমানতালে বিক্রি হচ্ছে ইন্ডিয়ান গাউন ও কাজ করা লং ফ্রোক। এছাড়াও টু-পার্ট, ফোর-পার্ট কুর্তি, জিপসি, সারারা, ফোর-পিস ও অরগেন্ডি বিক্রি হচ্ছে ভালই। পাঞ্জাবি বেশ বিক্রি হচ্ছে। সবদোকানে পাঞ্জাবি না থাকায় যেসব দোকানে পাঞ্জাবি তোলা হয়েছে তারা বেশ ভালাই বিক্রি করছেন।
দেশি সুতি থ্রি পিসগুলো বিক্রি হচ্ছে ১২শ’ থেকে ২ হাজারের মধ্যে। অপরদিকে ভারতীয় গাউন, লাসা কাপড়সহ বিভিন্ন ধরণের থ্রি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায়। লং ফ্রোক বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায়। চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ছেলেদের ক্যাটালোক পাঞ্জাবি, বিক্রি হচ্ছে ১২শ’ থেকে ১৮শ’ টাকার মধ্যে।
এছাড়াও জিন্স প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি কালার শার্ট ফুলশার্ট, চেক শার্ট, এক কালার শার্ট রয়েছে পছন্দের তালিকায়। টপ, স্কার্ট, ফ্রকওরয়েছে ছোটদের পছন্দের তালিকা।
সালিমার সুপার মার্কেটের একজন বিক্রেতা বলেন, ক্রেতার চাহিদা অনুসারে আমরা দেশি বিদেশি দুই অনুসারে আমরা দেশি বিদেশি দুই ধরণের পোশাকই বিক্রি করছি। সন্ধ্যার পর থেকে ক্রমেই ক্রেতা বাড়ছে। এবারের ঈদে বেচাকেনা ভালই হবে বলেই বিক্রেতারা আশা করছেন। এবার টাঙ্গাইল শাড়ি ৬শ’ টাকা থেকে ৯শ’ টাকা, জর্জেট শাড়ি ১২শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা, সিল্ক শাড়ি দেড় হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও এমব্রয়ডারি, বøক, হাতের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও কারচুপির কারুকাজ এসব শাড়িতে এনেছে এক বাহারি সৌন্দর্য।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ