1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৬:০২ আজ সোমবার, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি




রৌমারীতে জনতার হাতে পুলিশ আটক!

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ১৫৩ বার দেখা হয়েছে

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে সাখাওয়াত হোসেন সাখা:
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে একজনের পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েছেন নামাজের চর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য। গ্রামবাসী ওই তিনজনকে কয়েক ঘণ্টা বেঁধে রাখে। পরে থানার ওসি গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। গতকাল শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার চরইটালুকান্দা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, ওই পুলিশকেন্দ্রের সদস্যরা প্রায়ই সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেন। এসব কারণে এলাকার মানুষ তাঁদের ওপর ক্ষুব্ধ।

জানা গেছে, নামাজের চর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আলমগীর হোসেন দুই কনস্টেবল বেলাল হোসেন ও রবিউল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রৌমারী থানার অধীন চরইটালুকান্দা গ্রামের মুন্নাফ আলীর বাড়িতে হাজির হন। তাঁরা মুন্নাফ আলীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় গ্রামবাসী মুন্নাফকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চায়।

অভিযোগ রয়েছে, মুন্নাফ আলীর কাছে উত্তর নামাজের চরের আছমত আলী নামের এক ব্যক্তি ২৭ হাজার টাকা পান। আছমত আলীর সঙ্গে পুলিশের অলিখিত একটি চুক্তি হয়েছে যে ওই টাকা তুলে দিতে পারলে পুলিশ ১০ হাজার টাকা পাবে এবং ওই ১০ হাজার টাকার লোভেই পুলিশ মুন্নাফ আলীর বাড়িতে হানা দেয়।

গ্রামবাসী যখন মুন্নাফকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চায় তখন তাদের সঙ্গে পুলিশের তর্ক লেগে যায় এবং একপর্যায়ে গ্রামবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা তিন পুলিশ সদস্যকে আটক করে বেঁধে রাখে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রৌমারী থানার ওসি অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ওই পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। এ সময় গ্রামবাসী ওসির কাছে নামাজের চর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা বেশ কয়েকটি ঘটনার তালিকাও দেয় ওসির হাতে।

চরইটালুকান্দা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস ছাত্তার, হাবিল উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল ও আব্দুস সবুর প্রামাণিক অভিযোগ করেন, নামাজের চর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা প্রায়ই সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেন। ছোটখাটো কোনো অভিযোগ পেলেই পুলিশ অতিউৎসাহী হয়ে মানুষকে হয়রানি করে। এ রকম বহু ঘটনা রয়েছে।
এই বিষয় ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক জানান, “পুলিশ আটক করার কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় নামাজের চর ফাঁড়ি থানার পুলিশ জনগণের মাঝে আটকা ছিল। পরে সালিশ বৈঠক এর মাধ্যমে তাদের কে গ্রামবাসি লিখিত নিয়ে রৌমারী থানার হাতে তুলে দেয়।” এই সময় উপস্থিত ছিল রৌমারী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম নেতৃত্বে আরো পুলিশ। একপর্যায়ে সালিশ বৈঠকের মধ্যে জনতার উচ্ছবিত কন্ঠে ফাঁড়ি পুলিশের উপর চড়াও হয়ে উঠে।

ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নামাজেরচর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আব্দুল মান্নান বলেন, মুন্নাফ আলীর বিরুদ্ধে পাওনা টাকার অভিযোগ দায়ের করার পরই আমার পুলিশ ওই গ্রামে যায়। সেখানে সাধারণ মানুষ না বুঝে পুলিশদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের অবরূদ্ধ করে রাখে।

রৌমারী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমাদের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনতার হাতে অবরূদ্ধ থাকা ৩ পুলিশকে উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তদন্তের পরই বলা যাবে আসল ঘটনা কি।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ