1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ২:১৩ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত বিতর্কিত ধর্মগুরু রাম রহিম নির্ঘুম সময় কাটছে কারাগারে

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩১৬২ বার দেখা হয়েছে

ডেক্স রিপোর্ট:

ভারতে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং এখন ১৯৯৭ নম্বর কয়েদি। মেঝেতে শুয়ে সারা রাত ঘুম হয়নি রাম রহিমের। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে আটটায় হরিয়ানা রাজ্যের রোহতক এলাকার সুনারিয়া কারাগারে নেওয়া হয় রাম রহিম সিংকে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, অন্য কয়েদিদের মতোই রাতে চাপাতি (বিশেষ ধরনের রুটি) ও এক গ্লাস দুধ খেতে দেওয়া হয়েছে স্বঘোষিত এই ধর্মীয় নেতাকে। মেঝেতে ঘুমানোর ব্যবস্থা ছিল। তাঁর কারাকক্ষের সামনে পাহারায় রাখা হয়েছে চারজন রক্ষীকে। আরও জানা গেছে, আজ রোববার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত জেগেই কাটান রাম রহিম। এরপর এক ঘণ্টা যোগব্যায়াম করে ঘুমাতে যান তিনি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানা যায়, কারাগারে রাম রহিমের সঙ্গে একজন নারী ভক্ত রাখা হয়েছে—এমন খবর অস্বীকার করেছেন কারা মহাপরিচালক কে পি সিংহ। তিনি বলেন, ‘অন্য কারাবন্দীদের মতোই আছেন রাম রহিম। কোনো বিশেষ সুবিধা তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়া বিস্তারিত আমরা জানাতে চাই না।’

গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পঞ্চকুলা থেকে রাম রহিমকে হেলিকপ্টারে করে সুনারিয়া কারাগারে নেওয়া হয়। হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গে যান পালক মেয়ে হানিপ্রীত ইনসান। বিভিন্ন সূত্র জানায়, কারাগারে ঢোকার আগ পর্যন্ত তিনি রাম রহিমের সঙ্গে ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ধর্ষণ মামলায় সিবিআই কোর্টে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে রোহটাকে সুনারিয়া জেলের ‌একটি নির্জন সেলে রাখা হয়েছে। কারাবন্দি হিসেবে তার পরিচিতি নম্বর ১৯৯৭। ভারতে যে ৩৬ জন ভিভিআইপি জেড ক্যাটাগরির সুরক্ষা পান, রাম রহিম তাদের মধ্যে একজন। কিন্তু ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজা ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা ‘বিলাসী’ এ ধর্মগুরু কারাগারে কেমন দিনকাল কাটাচ্ছেন তা নিয়ে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। এরইমধ্যে অভিযোগ উঠেছে কারাগারে ভিআইপি’র মতো থাকছেন রাম রহিম। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ নেশন জানায়, রায় ঘোষণার পর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে পাঁচকুলা থেকে রোহটাকে পুলিশ কর্মকর্তাদের একটি রেস্ট হাউসের দিকে রওনা করেন রাম রহিম। সঙ্গে তার পালিতা কন্যা হানিপ্রিতও ছিলেন। ‘গুরুর’ সঙ্গে ব্যাগ ও স্যুটকেস নিয়ে আসারও অনুমতি দেওয়া হয়। কারা কর্মকর্তাদের দাবি, দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে রাম রহিম সুনারিয়া জেলে পৌঁছান এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর পরই তাকে সেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কারা পুলিশের মহাপরিচালক কেপি সিং শনিবার জানান, রাম রহিম অন্য সাধারণ কারাবন্দিদের মতো মেঝেতে ঘুমিয়েছেন। জেল সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ নেশন জানিয়েছে, নিদ্রাহীন রাত কেটেছে বিতর্কিত এ গুরুর। রাতে একটি রুটি ও এক গ্লাস দুধ খেয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ আগস্ট) এক ধর্ষণ মামলায় রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করার পর হরিয়ানা ও আশেপাশের এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। হরিয়ানা ডিজিপি জানান, সহিংসতায় ৩৬ ব্যক্তি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ২৬৯ জন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ