1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১০:২৩ আজ মঙ্গলবার, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




গাইবান্ধায় বন্যায় ১১২টি বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৭
  • ৫১৪৫ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে হু হু করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সোমবার ৬টা পর্যন্ত তিস্তামুখ ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৭৮ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৪ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া করতোয়া এবং তিস্তা নদীর বিপদসীমার ৩ সে:মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে বন্যা কবলিত হওয়ায় ১০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের ভেতরে পানি থাকায় এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে বিদ্যালগুলো বন্ধা ঘোষনা করা হয়। গতকাল জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বন্ধ হওয়া বিদ্যালয়গুলো এবং যেগুলো আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা সেগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে। পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক জমির পাটের জাগ ও কয়েক শ’পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। বন্যার পানিতে ডুবে গেছে আমন বীজতলা, আমন ক্ষেতসহ নানা ধরণের সবজির ক্ষেত।
সোমবার জেলা প্রশাসন  জানিয়েছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের ৩৪ হাজার ৯৫৬টি পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এদিকে শহর রক্ষা বাঁধের খোলাহাটি, চকমামরোজপুরসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ফেলে হলদিয়া ও কামারজানিসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এছাড়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বন্যার পানির স্রোতে সুন্দরগঞ্জ-পঞ্চনন্দ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় কাঁচা পাকা সড়কের উপর দিয়ে পানি ওঠায় যোগযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এমনকি পানিবন্দি মানুষজন সহায়সম্পদ নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে আসতে শুরু করেছে। জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পালন জানান, বন্যা কবলিত মানুষদের জন্য এ পর্যন্ত ৫শ’ মে. টন চাল ও নগদ ১০ লাখ টাকা বরাদ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বন্যা কবলিত মানুষের নামের তালিকা তৈরির জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ি জরুরী ভিত্তিতে তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ