1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৯:৩৪ আজ মঙ্গলবার, ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




সাদুল্যাপুরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রসাগুলোতে চলছে নিয়োগ বানিজ্য

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৭
  • ২১৫ বার দেখা হয়েছে

সাদুল্যাপুর প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকার বানিজ্য চলছে। প্রতিটি মাদ্রসায় ২থেকে ৩টি করে শুণ্য পদ থাকায় এই বানিজ্যে মেতে উঠেছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিগণ। বিধি বর্হিভূত ভাবে কোন পত্র-পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই শুধুমাত্র রেজুলেশনের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে প্রতিটি পদে প্রায় ৩ থেকে  লাখ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ গ্রহণ করছেন। অথচ সিংহভাগ মাদ্রসার নেই কোন শ্রেণি কক্ষ ও নিয়মিত শিক্ষার্থী। তারা অন্য প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নাম দেখিয়ে ভর্তি রেজিস্ট্রার বহি পুরণ করে আসছে। আর ওইসব শিক্ষার্থীর নামে সরকার প্রদত্ত পাঠ্যপুস্তুক ও উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করে আসছেন মাদ্রসার প্রধান শিক্ষকগণ।
সাদুল্যাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪-৮৫ইং সালে মাদ্রসা বোর্ড কর্তৃক এ উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রসা রেজিস্ট্রেশন পায়। সেই থেকে বিনা বেতনে চাকুরী করে আসছেন শিক্ষকরা। শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও জাতীয় করণের দাবীতে  আন্দোলন অব্যহত থাকায় সম্প্রতি ওইসব মাদ্রাসার তালিকা, শিক্ষক ও কর্মচারী সংখ্যার ছক আকারে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কাছে তথ্য চেয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এদিকে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রসার কিছু সুচতুর প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অপরদিকে এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে ফুসে উঠেছে কিছু দালাল চক্র। ওইসব দালালেরা প্রধান শিক্ষকদের সাথে আতাঁত করে প্রার্থীদের প্রদয় অর্থ থেকে কমিশন গ্রহন করছেন বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী টাকা প্রদানের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন। আরেক প্রার্থী বলেন, আমি একটি মাদ্রাসায় শিক্ষক পদের জন্য প্রধান শিক্ষককে টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু ওই মাদ্রসার কোন অস্তিত্ব না থাকায় টাকা ফেরৎ নিয়েছি।
সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বতন্ত্র মাদ্রসা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ মিয়া বলেন, শিক্ষক নিয়োগের নামে উৎকোচ গ্রহনের বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য হয়তো কিছু অর্থ নিতে পারে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ