1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১০:২০ আজ বুধবার, ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপদসীমার ১২ সে.মি. উপরে : চরাঞ্চলে ডাকাত আতংকে মানুষের নির্ঘুম রাত

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ৮ জুলাই, ২০১৭
  • ৮৩০ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন, গাইবান্ধা
গাইবান্ধা জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে জেলা সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার দুপুর পর্যন্ত ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র পয়েন্টে বিপদসীমার ১২ সে.মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে নতুন নতুন এলাকায় বন্যা পানি প্রবেশ করে। এতে করে পানিবন্দী হয়েছে অন্তত পক্ষে লক্ষাধিক পরিবার। বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠাগুলোর পাঠদান বন্ধ রয়েছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে চরাঞ্চলের ডাকাতির ঘটনাও ঘটছে। এতে করে ডাকাত আতংকে মানুষজন দলগতভাবে নির্ঘুম রাত পার করছে। এদিকে জনগণের সম্পদ রক্ষায় জেলার আইন-শ্ঙ্খৃলা বাহিনী চরাঞ্চলে প্রতিদিন যৌথ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে তিস্তা, করতোয়া এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এতে করে ঝুঁকির মধ্যে থাকা ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এলাকায় বসবাসরত মানুষেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৪০টি পয়েন্ট অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পানির চাপ বাড়লেই বাঁধের ওই অংশগুলো ছিঁড়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। জানা গেছে, গত ১০ বছরে এ বাঁধটির ব্যাপক ক্ষতি হলেও এর সংস্কার বা মেরামত কাজ কোনটাই করা হয়নি। ফলে যেকোন সময় বাঁধের দুর্বল অংশগুলোতে পানির চাপ পড়লেই ভেঙ্গে যেতে পারে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাইবান্ধা অংশে ৭৮ কি.মি. বাঁধ রয়েছে।
ডুবে গেছে কয়েক হাজার একর জমির পাট ও বিভিন্ন ধরণের সবজি ক্ষেত। বন্যার সময়সীমা দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অদিপ্তর। গো-চারন ভূমি পানির নীচে থাকায় গবাদি পশুপ্রানী নিয়েও বিপাকে পড়েছে চরাঞ্চলের মানুষজন। সাঘাটা উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামের নুর ইসলাম প্রামানিক জানান, বন্যার সময় টেনশনে থাকতে হয় গরু-ছাগল নিয়ে। এই সময়ে পানির কারণে পরিবারগুলো বিচ্ছিন্ন থাকায় ডাকাতেরা অনায়াসেই নৌকা দিয়ে গুরু ডাকাতি করে নিয়ে যায়। ইতোধ্যে ২টি বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে বলে তিনি জানান। সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ ও থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতে নৌকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জনগণকে সজাগ থাকার জন্য বলা হচ্ছে। সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট জানান, জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় থানা প্রসাশনের সাথে বন্যা কবলিত এলাকায় পাহাড়া দেওয়া হচ্ছে যাতে করে ডাকাতেরা এলাকা প্রবেশ করতে না পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র জানিয়েছে, উজানের ঢল এবং বৃষ্টিপাত থাকলে নদ-নদীর পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে। জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল সদর উপজেলার কামারজানি থেকে সাঘাটা উপজেলা পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রন বিস্তৃত বাঁধ এবং এ বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ