1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৮:৪১ আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




গাইবান্ধায় বিদ্যুৎ ভোগান্তিতে অতিষ্ট জনগণ

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০১৭
  • ২৭০ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
সীমাহীন বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট গাইবান্ধার মানুষজন। ২৪ ঘন্টার মধ্যে গড়ে ৬ ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেন না এ জেলার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা। আবার আকাশে সামান্য মেঘ, একটু বাতাস আরু বৃষ্টি হলে তো কয়েকদিন পর্যন্ত বিদ্যুৎ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয় এই অঞ্চলের গ্রাহকদের। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’র পক্ষ থেকে লোডশেডিং স্বীকার করলেও পুরো দায়ভার দিচ্ছেন জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড আর সিস্টেমের উপর। তবে রমজান মাসের আগেই এই সমস্যা থাকবে না বলে দাবী বিদ্যুৎ বিভাগের।
বিদ্যুৎ বিভ্রান্টের ফলে জেলার অফিস-আদালত,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, কলকারখানা, চিকিৎসাসহ সর্বক্ষেত্রেই চরম বিরম্বনার সৃষ্টি হয়েছে। দিনরাত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৬ ঘন্টার বেশি কোন দিনই বিদ্যুৎ পাচ্ছে না এ উপজেলার গ্রাহকেরা। আবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১ টা পর্যন্ত  টানা ৮ ঘন্টাই বিদ্যুৎবিহীন থাকে এ উপজেলার মানুষজন। আবার সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত একই চিত্র। শিক্ষাথীদের পড়ালেখা, ব্যবসা-বাণিজ্য, কলকারখানা, চিকিৎসা সেবায় মারাত্মক দুর্ভোগ নিয়েই  পার করতে হচ্ছে। যে সময়ে বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন সে সময়ে বিদ্যুৎ এর ন্যুনতম সরবরাহ না থাকায় ক্রমেই বাড়ছে বিদ্যুৎ বিভাগের উপর ক্ষোভ আর অভিযোগ। সাঘাটা উপজেলার ব্যবসায়ী আঃ জলিল মন্ডল জানান বিদ্যুৎ আসে কখন সেটাই তো বিষয়। একই অভিযোগ বোনারপাড়ার সাংবাদিক সোলায়মান আলীর। তিনি বলেন, বিকালে বিদ্যৎ না থাকায় কোন সংবাদই ঠিকমতো পাঠাতে পারছি না।
বিদ্যুৎ এর এমন বেহাল দশা ও লোডশেডিং এর দ্বায় স্বীকার করেন সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ আবুল হাসান। তিনি জানান, সাঘাটায় পিক আওয়ারে প্রয়োজন ১০ মে:ওয়াট কিন্ত পাওয়া যায় ৩ মে.ওয়াট একারনেইে জনগণের অসস্তষ্টি। তিনি বিদ্যুৎ প্রাপ্তি ও এর সিষ্টেম সমস্যার কারণেই এই দুর্ভোগ।
গাইবান্ধা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জিএম, জি.এইচ এম ওয়াহিদুল হক বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং এর বিষয়টি স্বীকার করে জানান, গ্রাহকের চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ পাওয়া যায় ৫০ ভাগ কম। একারণেই লোডশেডিং দিতে হয়। এছাড়াও গ্রাম ও শহরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ সমবণ্ঠন করার একটি নির্দেশনাও মন্ত্রনালয় থেকে এসেছে বলে তিনি জানান। বর্তমান সরকার জনগণের মধ্যে নিরিবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিভাগ সাধ্য অনুযায়ী কাজ করছে বলে জানান। তবে, রমজান মাসে এই সমস্যা একেবারেই থাকবে না বলে তিনি জানান।
বিদ্যুৎ এর সীমাহীন লোডশেডিং আর ভোগান্তি থেকে গ্রাহকেরা মুক্তির দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ