1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১২:১৪ আজ বুধবার, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




ক্যা বাহে ব্যাজার হলেন?

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২৫০ বার দেখা হয়েছে

সৈয়দ নুরুল আলম জাহাঙ্গীর:
মিয়া মুরুব্বীরা কচে, ইল­ত যায়না ধুলে, আর খাসলত যায়না মলে । শিক্কিত মানুষ কয় কয়লা ধুলেও ময়লা যায়না । আর হামার গাঁওয়ের   চটকু ব্যাপারী কয়, বাহে ঢেকি সরগে  গেলেও বাড়া বানে ।  কুড়ানু মোর মুকের কতা কাড়ি নিয়া কয়, বাহে হুজ্জত চাজী, কতাটা ঠিক । এযে, দ্যাকো  গাঁয়ের পচু চোর, শালিশ করিয়া কয়বার কান ধরালেন, ছ্যাপ ফ্যালেয়া ছ্যাপ চাটালেন, ঐঁ কি চুরি করা ছাড়ি দিচে?  কাইল ভরতখালির  মেলাত যায়া ধরা পড়চিল, ঠকঠকা করি মাতার চুলগুলা কামেয়া, গোয়াত দুটা গুরি মারি বাই করি দিচে। এই কতা শুনিয়া আন্দারু ঝাপি উটে, কয় বাহে, গাঞ্জারু, নেশাখোর, জুয়ারু, যতই খোদার কসম, ভগবানের কসম খাক, ওমার বিশ্বাস নাই। কুড়ানু কয় হক কতা কচেন। নেদারু ফকোস ফকোস করি বসি বিড়ি টানবার ধরি কুড়ানুর দিকে কটমটেয়া দ্যাকে, কুড়ানু কয়, তোর ভাই মমিনুল যে, চলি¬শ দিনের চিল¬া দিয়া আলো? তুই কলু, মাটির মানুষ হচে বাহে, নমাজ ছাড়া কিচুই বোজেনা। সউগ বদ অভ্যাস ছাড়ি দিচে। ওক ফির পুলিশে ধরি নিয়া গেলো ? নেদারু কয়, বাহে মুই কিচু বুজনুমনা। মমিনুলতো সেই পাচ ছয়মাস আগে ওগলা বদঅভ্যাস ছাড়ি দিচে। এই গাঞ্জা খাওয়ার জন্যে পুলিশ ধরচিল, ম্যাসিষ্টেট জেল দিচিল একমাস। জের হাতে বাড়েয়া চিল¬াত গেচিল । সেই হাতে পাচ ওকতো নমাজ পড়ে।  নেদারুর কতা শুনিয়া ফোস করি উঠে  বেল¬াল হোসেন- কয়, বাহে জেল খানার বেতরে যায়া আরো বড় গাঞ্জারু হয়া বাড়ায় বাহে। জেল খানাত আজকাল সগি মেলে, ওজে কতায় কয়না ট্যাকা হলে বাগের চোকও পাওয়া যায়? নেদারু কয়, দুর বাহে, জেল খানাত দেকা করবার গেলে দুই চারট্যাকা দেওয়া নাগে । ওটা সগলে দ্যায়, মুইও মমিনুলের সাতে দেকা করবার যায়া দিচোম। দুটা ডেগী মুরগী বেচিয়া দিচোম। কুড়ানু কয় বাহে কোটে দেওয়া না নাগে, একবার কোনো মামলাত পড়ি দ্যাক। পুলিশ, কোট পুণিশ, জেল পুলিশ, উকিল , মহুরী সগলেরে গত্ত পুরান নাগে।  কোটে থাকি আইজদ্দি খোড়ে খোড়ে আসি হাজির হয়। আইজদ্দি কয়, বাহে তোমরা বসি আচেন? হুজ্জতচা কোটে? সগলে কয় ক্যা বাহে? কি হচে? আইজদ্দি কয় বাহে পাচপাড়াত অপিচার আচ্চে ২৮ নং ধানের ভুঁই দেকপার আচ্চে। নেদারু কয়, ক্যা বাহে? আইজদ্দি কয় বাহে নেদারু পিটা খাস ফোর গনিসনা? আতে দিনে ধানের ভুইয়ের আইলাঘাটা দিয়া যাওয়া আসা করিস? কিচুই বুজিসনা? ধানের ভুই গুলার মাতা যে,বুড়া মানসের পাকা চুলের নাকান হয়া গেচে। বাড়ীর মদহাতে বাড়ায় হুজ্জত আলী কয়, হাটো বাহে, হাটো, ওপাড়াত মানাসের বাতাত কৃষি অপিচার আচ্চে। যায়া শুনি এগলা কি ওগ সৃষ্টি হচে ? ধান আবাদ করতে করতে বুড়া হয়া গেনু বাহে, এগরা সাদা মাতা ব্যারাম মুই কোনদিন দ্যাকোম নাই। নেদারু কয় বাহে, এই সরকারের সমে এগরা কি শুরু হলো ? লক্ষন ভারো ঠ্যাকেনা হুজ্জতচা, মনে হয় একটা কিচু হবে। নেদারুর কতা শুনিয়া পিত্তি জলি যায় কুড়ানুর, কয় হ বাহে তোর সরকারই ভালো। দুই জলে দুই পাটির কতা নিয়া মজরা শুরু করে । হুজ্জতআলী জোরে ঘাটা হাটা শুরু করে। খোড়া আইজদ্দির জোরে হাটপার যায়া তাল সামলেবার পায়না,  খাঁইয়ার মদ্দে পাও ঢুকি যায়, চটকি যায়া পড়ে জোলার মদ্দে, চৈত মাসের জোলা, আটা আটা কাদো দিয়া গাও ন্যাটপ্যাটা হয়া যায় আইজুদ্দির, ওরে বাবারে, গেনুরে করি কান্দন জোরে আইজুদ্দি। হুজ্জত আলী কয়, বাহে ধরো শালা খোড়াক টানি তোল। কুড়ানু আর নেদারু আইজদ্দির দুই হাত ধরি ছ্যাচরে উচাত তোলে। পাচ পাড়ার মজরের বাড়ীর খুলিত একপালা মানুষ, সগলে কিষি অপিচারের মুখের দিকে চায়া আচে । সগলে কতিচে বাহে এই রোগের নাম কি ? বাচার উপায় কি? কিষি অপিচার কয়, শোনেন এই ওগের নাম নেকব¬াষ্ট রোগ, এই রোগ আবহাওয়া প্রতিকুল নাথাকার জন্য হয়। অঅইজদ্দি কয়, বুজি কও বাহে,অপিচার কয়, ধানের জন্য যতটুকু তাপমাত্রা দরকার সেই তাপমাত্রা না থাকায় এই রোগের কারন। দেখেন, একসপ্তাহ আগে রোগটা বেশি ছিল, এখন কিছুটা কমেছে। বৃষ্টি বাদল কমেছে। দেখেন ধানও এখন কেমন পাক ধরেচে। সগলে কয়, হ-হ, ঠিক কতা। সগলেরে পেচন থাকি কাল¬া তোলা করি মজর কয়, বাহে হামরা বুজি, সউগ শুনচি, হামারো ছলপল কলেজোত নেকাপড়া করে। এখন তো কৃষকের ঘরোত বেচন থাকেনা । বাজার হাতে কিনিয়া আবাদ করা নাগে। কুড়ানু কয়, বাজারে যে বীজ বেচা হয়, তার অনুমোদন দেয় কৃষি অপিস, এবার হামরা বাজার থাকি যে বীজ কিনচি সেগলার অনুমোদনও তামরায় দিচে। নেদারু কয় বীজ অনুমোদন দিতে অপিচাররা মোটা টেকা নিচে, নাহলে কি আর ভালবীজের  নেকবেলাষ্ট রোগ হয়? সগলে একসাতে শোর গোল করি উটে। কৃষি অপিচার চোখ বড় করে। কয় আপনারা শান্ত হন। হুজ্জত আলী কয়,থামো সগলে থামো। শোন হুজ্জাতি কলে¬ই সউগ হয়না।যাও স্যারোক বিলের ওপারে থুইয়া আসো। কুড়ানু, মজর, নেদারু অপিচারের পাচে পাচে আগি দিবার যায়। ্ ঘাটাহাটতে হাটতে কুড়ানু কয়, স্যার হামরা শীতের মদ্দে আবাদ করি, কতো বাস্যালি দিন গেলো, এংকা নেকবেলাস্টের কতা শুনি নাই। আসলে কি ঘটনা স্যার? অপিচার আমতা আমতা করে। কয়, আরে ভাই বীজ প্রত্যয়ন অপিচার বলতে পারবে। সগলোকে কয়, আপনারা যান আমি যেতে পারবো। মজর কয়, দেকলু বাহে? শুনলু? ওমরা যতোই দোয়া তুলশীর পাতা হউক। বীজওয়ালার ঘরে ওসকোত কি ছাড়ে? কুড়ানু কয়, বাহে কচুলুনা? ইণ্ণত যায়না ধুলে খাসলত যায়না মলে?
সরকারী মানুষগুলা ঐদ্যান। ক্যা বাহে কেউ কি ব্যাজার হলেন?  (সংখ্যা-০৭)




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ