1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১:৪৬ আজ রবিবার, ২৬শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




সাঘাটা হাসপাতালে চিকিৎসকদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৫৯০ বার দেখা হয়েছে

সাঘাটা(গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগে ভর্তিকৃত রোগীকে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার চিকিৎসা সেবা না দিয়ে সেকমো ডাক্তার দ্বারা রোগী দেখে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করায় কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ও সেকমো ডাক্তারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেএলাকাবাসী।
জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মথরপাড়া গ্রামের মৃত মহির উদ্দিন সরকারের ছেলে রজ্জব আলী বুধবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তার অবস্থার  অবনতি দেখা দেওয়ায় রাতেই সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়। এ সময় কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ  শাহরিয়ার ইমরান  না থাকায় সেকমো ডাক্তার সবুজ মিয়া রোগী ভর্তি করে নেয় এবং মেডিকেল অফিসার না থাকায় নিজেই যেন-তেন ভাবে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। এ সময় রোগীর লোকজন বার বার কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসারকে ডাকার জন্য সেকমো ডাক্তারকে চাপ প্রয়োগ করলেও সে কর্নপাত করেনি। এক পর্যায় কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহরিয়ার ইমরানের মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রোগীর লোক ফোন করায় সে ঘুম থেকে জেগে মোবাইল ফোনেই রোগীর লোকজনের সাথে বির্তকে জড়িয়ে পড়েন ও রোগীর লোকদের মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়ায় সেকমো ডাক্তারের উপর ক্ষিপ্ত হয়। পরিশেষে মেডিকেল অফিসার না আসায় কোন উপায়ন্তর না থাকায় সেকমো ডাক্তার সবুজ মিয়া রোগির অবস্থা আরও অবনতি দেখা দেওয়ায় রোগীকে অন্য হাসপাতালে নেয়ার জন্য ছাড়পত্র দেন। এদিকে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহরিয়ার ইমরানের কর্তব্য অবহেলা ও মোবাইল ফোনে রোগীর লোকজনের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় ডাঃ শাহরিয়ার ইমরান ও সেকমো ডাক্তার সবুজ মিয়ার অপসারণের দাবিতে রোগীর লোকজন ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে। এ ব্যাপারে মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহরিয়ার ইমরান বলেন, প্রতিনিয়ত সেকমো ডাক্তারা সবই করেন।  তারা ফেল হলে আমাদের ডাকেন। ওই দিন আমার প্রয়োজন ছিল না। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বছির উদ্দিন আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকব।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ