1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ২:৩৩ আজ শনিবার, ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




কাজলঢোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে দোকানপাঠ নির্মানের অভিযোগ

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২২২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট: গাইবান্ধা সদর উপজেলার কাজলঢোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে দোকানপাট ও মার্কেট নির্মাণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানাগেছে, কাজলঢোপ গ্রামের মৃত মতিন সরকারের ছেলে সাজু আকন্দ স্কুলের জমিতে পাকা ঘরতুলে প্রতিটি দোকান ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পজেশন এবং মাসে ১২শ টাকা ভাড়ায় ব্যবসায়ীদের ভাড়া দিয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতন এলাকাবাসী বাঁধা প্রদান করলেও প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির কিছু সদস্যকে ম্যানেজ করে এই বিদ্যালয়ের জায়গায় পাকা দোকানঘর তুলে ভাড়া দিয়ে মার্কেট তৈরি করেছেন।
উল্লেখ্য, বেশ কয়েকজন জমির মালিক উক্ত জায়গায় একটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসার নামে বিভিন্ন দাগে ১০২ শতক জমি দান করেন। কিন্তু তৎকালীন সভাপতি আঃ মতিন আকন্দ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা না করে উক্ত জমিতে এলাকার মানুষের জেনারেল লেখাপড়ার কথা চিন্তা করে কাজল ঢোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করেন।
এরপর আঃ মতিনের পরিবার থেকে ঐ বিদ্যালয়ে কেউ চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভে তার পুত্র সাজু আকন্দ ও রাজা মিয়া ধীরে ধীরে কৌশলে তার পিতার দান করে যাওয়া ১০২ শতক জমির অধিকাংশই দখলে নেয়। এরপর সেখানে পাকা আধাপাকা দোকান ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেয়। এছাড়া পুকুরে মাছ চাষ করে তারা নিজেরাই ভোগ করে আসছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ ব্যাপারে কাজলঢোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, ইতিপুর্বেও উক্ত জায়গাকে কেন্দ্র করে অনেকেই অনেক ক্ষমতা দেখিয়েছে। কিন্তু কেউই কিছুই করতে পারেনি। আপনারাও বৃথা চেষ্টা করছেন।
বিদ্যালয়ের নামে দানপত্রের জায়গা বাদ দিয়ে তার পার্শ্বেই সাড়ে সতের শতক জমির উপর কাজল ঢোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের নামে ১০২ শতক জমির ভোগ দখল ও তার আয়ের হিসেব নিকেশ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, ঐসব জমি দাতার ওয়ারিশরাই এখন সেগুলো দখল করছে। এখানে আমার করার কিছু নেই। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এই প্রধান শিক্ষকের গাফিলতি ও অবহেলার কারণে জমিগুলো উদ্ধার হচ্ছে না। অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, সাজু আকন্দের সাথে প্রধান শিক্ষকও গোপনে সুবিধে আদায় করে আসছেন। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে দলিল মুলে থাকা ১০২ শতক জমি প্রতিষ্ঠানের নিজের দখলে রাখার জন্য গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের আশু হস্তক্ষেপ চেয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ