1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৮:২৬ আজ বৃহস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




অবশেষে সাঘাটা- গাইবান্ধা সড়ক সম্প্রসারণ কাজ শুরু হচ্ছে

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০১৭
  • ১৩৯৬ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত গাইবান্ধার সাথে বাদিয়ালী, উল্যাভরতখালী, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা সড়কের সম্প্রসারন কাজের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি ১৮ মার্চ শনিবার সকালে সাঘাটা-ফুলছড়ি উপজেলার অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। একইদিন সদর উপজেলার অর্থাৎ গাইবান্ধা থেকে বাদিয়াখালী অংশ জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।  সড়কটি সম্প্রসারণ সম্পন্ন হলে  জেলার সাথে সাঘাটা, ফুলছড়ি, বোনারপাড়া, ভরতখালী, বাদিয়াখালী এলাকার হাজার হাজার মানুষজনের যাতায়াত দুর্ভোগ দূর হবে। পাশাপাশি গাইবান্ধা থেকে বগুড়া জেলার সাথে বিকল্প সড়ক যোগাযোগেরও উন্নয়ন ঘটবে।
গাইবান্ধা-সাঘাটা-ফুলছড়ি সড়কটি রাস্তা প্রসস্থকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গতবছর মার্চ মাসে ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে জাতীয় নির্বাহী কমিটি (একনেক) এ অনুমোদন দেওয়ায়। এরপর ঠিকাদারের নি¤œ হ্রাঁস দরপত্র দাখিল জটিলতায় পড়ে সড়ক বিভাগ। দু’দফা দরপত্র আহবান করা হলেও অতিরিক্ত হ্রাঁসে দরপত্র দাখিল করায় কর্তৃপক্ষ তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ক্রমেই বিলম্বিত হতে থাকে কাজ শুরুর প্রক্রিয়া।  ফলে জনগণের মধ্যে দুর্ভোগের পাশাপাশি ক্ষোভও সৃষ্টি হয়। কিন্তু তৃতীয় দফা দরপত্রে সড়ক বিভাগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আইসিসি প্যারাডাইস এবং  এমএম বিল্ডার্স ও মতলুবুর রহমান এই তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করে।
এ প্রস্েঙ্গ গাইবান্ধা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান জানান কাজ শুরু সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। রাস্তার দু’পাশে অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকানপাঠ ও বসতবাড়ি সরানোর জন্য পদক্ষেপও নেয়ার কথা তিনি জানান। ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হবে বলেও তিনি জানান।
গাইবান্ধার বড় মসজিদ থেকে সাঘাটা-ফুলছড়ি পর্যন্ত ২৯ কিলোমিটার সড়কটি বর্তমানে ১২ ফুট প্রস্থ পাকা থাকার কথা থাকলেও সংষ্কারের অভাবে দু’পাশে ভেঙ্গে কোন কোন স্থানে ৭ থেকে ৮ ফুটে রয়েছে। এছাড়াও বেশিরভাগ স্থানে  গর্ত থাকায় এই জেলা সদরের সাথে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করেনি। সম্প্রসারণ কাজ হিসেবে ২৯ কিলোমিটার পর্যন্ত এই সড়কটি থেকে ১২ ফুট থেকে  ১৮ ফুটে সম্প্রসারন করা হবে। এছাড়াও দু’পাশের আরো ৬ ফুট করে মাটি দিয়ে বাঁধাই করা হবে। এতে করে এই সড়কটি প্রশস্থা হবে ৩০  ফুট।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ