1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৪:৪৯ আজ বুধবার, ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




সাঘাটায় মুক্তিযোদ্ধা, ব্যক্তি মালিকানা জমি দখল করে মৎস্য প্রকল্পগ্রহণ!

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০১৭
  • ৩৮২ বার দেখা হয়েছে

সাঘাটা সংবাদদাতা:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের বাগমারা বিলে মুক্তিযোদ্ধা, ভূমিহীন ও কৃষদের জমি বেদখল করে মৎস্যচাষের প্রকল্প দেখিয়ে খনন শুরু করেছে ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তাঁর সহযোগিরা। জমি উদ্ধারের জন্য ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না।
জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেনকে সরকার অসহায় ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ২০০৩ সালে স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন এর নামে ১ একর জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়।  সেই থেকে ঐ জমিতে মুক্তিযোদ্ধা চাষাবাদ করে ভোগদখল করে আসছিল। একই এলাকায় কৃষক হামিদুল হকের ২০১৪ সাল পর্যন্ত হালনাগাদ খাজনাসহ ৩৬ শতক জমিতেইও  মেশিন বসিয়ে মাটি কাটতে থাকে।
গতমাসে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল আজাদ শীতল ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি মৎস্য বিভাগের মাধ্যমে একটি মৎস্যচাষ প্রকল্প গ্রহণ করে বাগমারা বিলের মুক্তিযোদাসহ ভূমিহীন ও ব্যক্তি মালিকানার আবাদি জমিতে মাটি কাটতে শুরু করে। এতে প্রকৃত জমির মালিকেরা জমির ডকুমেন্ট নিয়ে  বাঁধা দিলেও ইউপি চেয়ারম্যান ও তার অনুসারীরা বিষয়টি তোয়াক্কা না করে মাটি কাটতেই থাকে। এতে অসহায় মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যক্তি মালিকানা হামিদুল হক  নিরুপায় হয়ে  বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করে। মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন জানান, ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারের দেওয়া ১ একর জমিতে ১৪ বছর ধরে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। কিন্তু ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কোন কিছু না জানিয়ে মেশিন দিয়ে জমি খুড়ে মাটি খুড়তে শুরু করে। এবিষয়ে কাগজপত্র নিয়ে তাকে বিষয়টি অবগত করলেও সে মাটিকাটা বন্ধ করেনি। এজন্য বাঁধ্য হয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন বরাবরে আবেদন করেন বলে তিনি জানান। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মালিক হামিদুল হক জানান, ক্রয়সূত্রে ৩৬ শতাংশ জমিতে খাজনাদি দিয়ে চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তু চেয়ারম্যান ও তার লোকজন নিয়ে ধানের জমি থেকে মাটি উত্তোলন করছে। এবিষয়ে তাকে জানালেও সে বিষয়টি আমলে নেয়নি।
ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আজাদ শীতল  জানান এই বিলটি খাস জমি হিসেবে ভুমি অফিস কোন আপত্তি নেই মর্মে মৎস্য বিভাগ প্রকল্প নিয়েছে। এখানে কারও জমি থাকলে সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের। এজন্য কোন অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করার পরামর্শও তার।
তবে বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা মৎস্য অফিসার ফজলে ইবনে কাওসার আলী, দায়-নিতে রাজি না; তিনিও উল্টো প্রশ্ন করেন, এটি পুরোপরি ভূমি অফিসের বিষয়।
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক চেয়ারম্যান মমিতুল হক নয়ন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত বলে জানান এবং বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান অসহায় মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল করে প্রকল্পগ্রহণ মোটেই ঠিক করের নাই। তার কাছে যেহেতু অভিযোগ করেছেন, বিষয়টি সমাধান করার দায়িত্বও তার।
অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজ্জ্বল কুমার ঘোষ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জমির মালিকেরা  তাদের জমি ফিরে  পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দৃষ্টি কামনা করেছেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ