1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৭:৫৯ আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিশ লাখ টাকার দাবি

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০১৭
  • ১৮১ বার দেখা হয়েছে

গোবিন্দগঞ্জ সংবাদদাতা:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুরপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের পরিবার কল্যান সহকারি এফ ডাবøু এ (মাঠকর্মী) তছকিনা বেগম (৩৮) বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তার কাছে বিশ লাখ টাকার দাবি করেছেন একই ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য জাহিদুল ইসলাম তারা (৪৫)। এ ঘটনায় তছকিনা বেগম বাদি হয়ে রোববার রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ২৭১ নম্বর  সাধারন ডায়েরী  (জিডি) করেছেন।
জাহিদুল ইসলাম তারা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের  সমসপাড়া গ্রামের মৃত কবির হোসেনের ছেলে। তছকিনা বেগম একই ইউনিয়নের নোদাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।
গোবিন্দগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) নাজমুল আহম্মেদ আজকের জনগণতে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এএসআই আব্দুল খালেককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তছকিনা বেগম বলেন, গত বছরের ১২ ফেব্রæয়ারি তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে তাকে  তারা মেম্বর বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে তার নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ডের প্রতিশ্রæতি দেন। এর কিছুদিন পর তছকিনা বেগম তার নাম পরিবর্তন করে মেয়ে ছিয়ামুন নাহার সিমুর নামে ভাতার কার্ডটি দেওয়ার জন্য তারা  মেম্বারকে বলেন।
এ সময় তারা মেম্বার তছকিনা বেগমকে জানায়, প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ডে নাম পরিবর্তন করতে এভিডেফিট লাগবে। এ কথা বলে তিনি  তছকিনা বেগমের নিকট থেকে তার ছবি সংযুক্ত নন জুডিশিয়াল  স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। পরবর্তীতে ওই স্ট্যাম্পে বিশ লাখ টাকা কর্জ নেওয়ার চুক্তি দেখানো হয়।
তছকিনা বেগম আরও জানান, তাকে শনিবার দুপুরের দিকে ভাতা কার্ডে নাম পরিবর্তনের কথা বলে তারা  মেম্বার গাইবান্ধায় ডেকে এনে বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার চাপ দেন।এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা মেম্বার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং বলেন, তোমার কাছ থেকে সাদা ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া আছে। ওই স্ট্যাম্পে বিশ লাখ টাকা কর্জ নেওয়া দেখানো হয়েছে। বিয়ে না করলে  বিশ লাখ টাকা দিতে হবে। এরই প্রেক্ষিতে তিনি পরের দিন থানায় উক্ত জিডি করেন।

এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তারা মেম্বারের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার ছোট ভাই সমসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর আলম জানান, এখানে কিছুই হয়নি, উভয় পক্ষের অভিযোগ মিথ্যা।

তালুককানুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান তারা মেম্বারের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, তারা মেম্বার একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা অত্যাচারে এলাকাবাসি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তাকে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন থানার ওসি-তদন্ত নাজমুল আহম্মেদ।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ