1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৩:৩০ আজ রবিবার, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি




ফুলছড়িতে কর্মসৃজন কর্মসূচীর নতুন তালিকা থেকে বঞ্চিতের আশংকায় সুবিধাভোগীদের বিক্ষোভ

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ৮ মার্চ, ২০১৭
  • ১৪৯ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
ইউপি চেয়ারম্যানদের অসযোগিতার কারণে গাইবান্ধা জেলার অনেক এলাকায় এখনও কর্মসৃজন কর্মসূচীর কাজ শুরু করা যায়নি। অথচ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি অতিদরিদ্র কর্মহীন মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টির জন্য গত ১১ জানুয়ারি থেকে ৪০ দিনের এ কর্মসূচী শুরু করার কথা। আগামী ১১ মার্চ পর্যন্ত এ কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে। কর্মসূচীর আওতায় তালিকাভূক্ত দরিদ্র মানুষেরা ২শ’ টাকা হারে মজুরী পাবে।
সরকারি পরিপত্র অনুযায়ি ১৮ বছর থেকে ৬০ বছর বয়সী ৪ হাজার টাকার নিচে যাদের মাসিক আয় তারাই এ কর্মসূচীর আওতায় আসার কথা। নিয়মানুযায়ি গত বছর যারা এ কর্মসূচীর আওতায় তালিকাভূক্ত হয়ে কাজ করেছে তারাই এ সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। কিন্তু অনেক এলাকার নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বররা সরকারের ওই নীতিমালা না মেনে অবস্থাপন্ন ও সম্পদশালী ব্যক্তিদের নাম নতুন করে তালিকা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন। এজন্য মোটা অংকের অর্থও বাগিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে তালিকা প্রনয়নে বিলম্ব হচ্ছে এবং কাজও শুরু করা যায়নি বলে জানা গেছে।
জেলা ত্রাণ দপ্তর জানিয়েছে, ফুলছড়ির ৭ ইউনিয়নে ২ হাজার ৪১১ জন এ কর্মসূচীর আওতায় সুবিধা ভোগ করবে। এ জন্য ফুলছড়ির জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৮২৮ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এদিকে পুরাতন তালিকা বাতিল করে নতুন তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ায় গত বছরের তালিকাভূক্ত দরিদ্র অসহায় সুবিধাভোগীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার  ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া  ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে ওই সুবিধাভোগী মানুষ মিছিল করে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে । তারা ২২ শে ফেব্রয়ারী জেলা প্রশাসকের নিকট ৪০ দিনের তালিকা ভুক্ত নাম কর্তনের প্রতিবাদে স্বারক লিপি প্রদান করে । বক্তারা সুবিধাভোগীদের তালিকা বহাল রেখে দ্রুত কর্মসৃজন প্রকল্প চালু করার দাবি জানান।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার একটি ইউনিয়নেও এ কর্মসূচী বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা যায়নি। এছাড়া পলাশবাড়ি উপজেলায় আংশিক এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তুওই দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান-মেম্বররা পুরাতন তালিকা বাতিল করে নতুন তালিকা প্রণয়ন করতে চান। এ কারণে সেখানে কর্মসূচী বাস্তবায়নে সংকট দেখা দিয়েছে বলে তিনি জানান।
অপরদিকে  চেয়ারম্যানদের অসযোগিতার কারণে অনেক এলাকায় এখনও কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সুন্দরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্যাপুর ও সদর উপজেলায় প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা গেছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ