1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১০:১০ আজ রবিবার, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




রংপুরে পার্কের মোড়ে চাঁদাবাজি-ভাংচুরের ঘটনায় মামলা, রোকেয়ায় ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ৫ মার্চ, ২০১৭
  • ২৮৫ বার দেখা হয়েছে

রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুরে ‘চাঁদা না পেয়ে’ পার্কের মোড়ের সিফা ফাস্ট ফুডের দোকানে ভাংচুরের ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান শিশিরসহ ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
শনিবার রাতে দোকান মালিক মাজেদুল ইসলাম লাবলু মামলাটি দায়ের করেন বলে কোতোয়ালি থানার ওসি এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান।
‘ছাত্রলীগ’ পরিচয়ে ‘চাঁদা না পেয়ে’ শনিবার সকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে একটি ফাস্ট ফুডের দোকানে ভাংচুর করে একদল যুবক। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন “সংগঠনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।” এলাকাবাসীর সঙ্গে ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই তাজুল ইসলাম বলেন, সকালের ওই ঘটনার জেরে সন্ধ্যার পর থেকে এলাকাবাসীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের বেশ কয়েকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়ক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
“সাধারণ ছাত্ররা পার্কের মোড়ে পাঁচটি দোকান ভাংচুর এবং একটি দোকানে অগ্নিসংযোগ করে। এলাকাবাসীও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যাত্রী ছাউনিসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করে।”
পার্কের মোড় দোকান মালিক সমিতির আহ্বায়ক এ কে এম মাসুদ রানা বলেন, “সকালে পুলিশের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সড়ক অবরোধ তুলে নিই। সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররা দেশি অস্ত্র নিয়ে পাঁচটি দোকান ভাংচুর ও আগুন দিয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মীর তামান্না সিদ্দিকা বলেন, “পুলিশ আর একটু সক্রিয় হলে এলাকাবাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি গেট ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ করতে পারতো না। শিক্ষার্থী হামলার শিকার হত না।”
কোনো পক্ষকেই বাধা না দিয়ে রাত ১০টায় দিকে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) সাইফুর রহমান জানিয়েছেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ