1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৯:১১ আজ মঙ্গলবার, ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




কাদের খান পুলিশের কাছে খুনের স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হয়েছে : নব্য জেএমবি নামে মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের সম্পৃক্ততা

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ২২১ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনরে সরকার দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকান্ডে গ্রেফতারকৃত কাদের খান পুলিশের কাছে খুনের ঘটনা সম্পর্কে তার পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দিতে সম্মত হয়েছেন। পুলিশের বিভিন্ন সুত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। রিমান্ডে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদে ইতোমধ্যেই তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং সবকিছু স্বীকার করেও তিনি বার বার শুধুই বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
নব্য জেএমবি নামে মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরে সম্পৃক্ততা ঃ
সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় গত ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে নব্য জেএমবি’র নামে একাধিক মন্দিরে ভাংচুর দুর্গা প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা কাদের খানের নির্দেশ এবং পরিকল্পনা অনুযায়ি সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে। সর্বশেষ ৯ অক্টোবর সদর উপজেলার ল²ীপুরের কামারপাড়া সড়ক সংলগ্ন কালিমন্দিরে রক্ষিত কালি প্রতিমা ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ এ অভিযোগে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের মন্ডলেরহাট থেকে সেসময় কথিত ৪ নব্য জেএমবি সদস্য হিসেবে গ্রেফতার করে। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাপার সাবেক এমপি কর্ণেল (অবঃ) আব্দুল কাদের খানের ভাতিজা সুন্দরগঞ্জের ছাপড়হাটি ইউনিয়নের খানপাড়া পশ্চিম ছাপড়হাটী গ্রামের ইউসুফ খানের ছেলে ফয়সাল খান ফাগুন (১৭) এবং কাদের খানের সুন্দরগঞ্জের পশ্চিম ছাপড়হাটি খানপাড়া গ্রামের বাড়িতে কর্মরত আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে নজরুল ইসলাম খান (৩৫), আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে আশিকুল ইসলাম (১৬) ও আদর আলীর ছেলে শহিদ মিয়া (১২)। তারা মটর সাইকেলে এসে মন্দিরের কালি প্রতিমা ভেঙ্গে সেখানে একটি নব্য জেএমবি কর্তৃক দায় স্বীকার সংক্রান্ত হাতে লেখা একটি চিঠি রেখে পালিয়ে যায়।
সেসময় পুলিশের কাছে প্রদত্ত স্বীকারোক্তিতে তারা বলেছে এর আগে ৮ অক্টোবর রাতে মটর সাইকেল যোগে গিয়ে পশ্চিম ছাপড়হাটি ডুরামারি গ্রামে নরেন্দ্র চন্দ্র বর্মণের বাড়ির কালিমন্দিরে আগুন দিয়ে পুড়ে দেয়। এছাড়া ২২ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে সাদুল্যাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব কেশালী ডাঙ্গা সার্বজনিন মন্দিরেরও মুর্তি ভাংচুর করে। একইদিনে আরেকটি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরেরও পরিকল্পনা ছিল তাদের। কিন্তু তার আগেই তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। ভাংচুর করার পরে প্রতিটি মন্দিরেই নব্য জেএমবি নামে হাতে লেখা চিঠি ফেলে আসা হয়।
সুন্দরগঞ্জ জেএমবি প্রভাবিত এলাকা তা প্রমাণ করতেই কাদের খান সুপরিকল্পিতভাবে তার নিজের ভাতিজা ফয়সাল খান ফাগুনসহ নিজস্ব কাজের লোকদের ব্যবহার করে। মন্দিরের ভাংচুরের সম্পৃক্ততার সাথে গ্রেফতারকৃত আসামিরা ইতোমধ্যে জামিনে ছাড়া পেয়েছে বলে জানা গেছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ