1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১১:২৮ আজ শুক্রবার, ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি




একবার দেখে মন ভরছে না নৃত্যপ্রেমীদের

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ১৪২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনা একবার দেখে মন ভরছে না খাজুরাহোবাসী ও বিদেশি পর্যটকদের। আয়োজকেরা অনুরোধ করেছেন, বিরতি দিয়ে একই পরিবেশনা দ্বিতীয়বার করতে। গতকাল বুধবার তাই কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান নিয়ে নৃত্যনাট্য ‘বাদলও বরিষন’ উপস্থাপন করতে হলো দুবার।
বিকেলে ভারতের মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহো নৃত্য উৎসবের বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে নজরুলের ‘শাওন আসিল ফিরে’, ‘পরদেশি মেঘ’, ‘রিম ঝিম রিম ঝিম’সহ একগুচ্ছ গানের সঙ্গে নৃত্যনাট্য পরিবেশন করলেন ঢাকার শিল্পীরা। সাধনার সাব্বির আহমেদ খানের নির্দেশনা এবং লুবনা মারিয়ামের শিল্পনির্দেশনায় ঢাকায় এর বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী হয়েছে। এ উৎসবে অতিথি রাষ্ট্র হিসেবে সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে লুবনা মারিয়াম বলেন, ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে আমাদের শিল্পীরা অনেক কষ্ট করছেন। সাংস্কৃতিক এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সরকারি বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি হয়ে উঠেছে।’
গত সন্ধ্যায় মূল মঞ্চে ভরতনাট্যম, কত্থক, ময়ূরভাঞ্জ ছৌ পরিবেশন করেন ভারতের বেশ কয়েকটি অঞ্চল থেকে আসা নন্দিত শিল্পীরা। এই মঞ্চের শিল্পী নির্বাচন করে একটি জাতীয় কমিটি। ফলে নিজ নিজ ক্ষেত্রের সেরা শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পীরাই সুযোগ পান এ নৃত্যযজ্ঞে। আজ সন্ধ্যায়ও সেখানে থাকবে মোহিনীআট্টম ও কত্থক নাচ। সাধনার শিল্পীরা বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে পরিবেশন করবেন রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে নাচ। পরিবেশনা শুরুর আগে প্রতিদিনই থাকছে বাংলাদেশের শোভাযাত্রা।
বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে তুলে ধরা হয়েছে দেশটির ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন, নকশিকাঁথা, মৃৎপাত্র, পুতুল, নকশা, পটসহ নানা কিছু। নৃত্য উৎসবের আয়োজক প্রতিষ্ঠান ভোপালের ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ একাডেমির সহকারী পরিচালক রাহুল রাস্তগি বলেন, গত বছর বাংলাদেশের মনিপুরি নাচ মুগ্ধ করেছিল তাঁদের। সে জন্যই এবার অতিথি দেশ হিসেবে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর এ উৎসবকে আরও বর্ণিল ও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা থাকে আমাদের। এই যেমন সাত দিন ধরে বাংলাদেশ তাদের প্যাভিলিয়নে নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরবে।’
নৃত্য উৎসব উপলক্ষে রয়েছে চিত্র ও শিল্প প্রদর্শনী, নানা রকম ছৌ নাচের পোশাক প্রদর্শনী, শিল্পকর্মের আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে সংলাপ, কবিতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। চিত্র প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের প্রায় সাড়ে পাঁচ শ শিল্পীর আঁকা ও প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন মাধ্যমের চিত্র ও শিল্পকর্ম।
গতকাল ভোরে হাজার বছরের পুরোনো এতিহ্যবাহী একগুচ্ছ মন্দির দেখতে যান ঢাকার নৃত্যশিল্পীরা। বহু বিদেশি পর্যটকের মতো প্রাচীন স্থাপনা-নকশার কারুকাজ বিস্মিত ও হতবাক করেছে তাঁদেরও।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ