1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১:৫৪ আজ বুধবার, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




কর্মস্থলে সাফল্যের প্রতিবন্ধকতায় যেসব বাজে অভ্যাস!

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ১৮১ বার দেখা হয়েছে

কিছু কিছু বাজে অভ্যাস আছে যেগুলো আপনাকে অন্যদের চোখে অসফল হিসেবে চিত্রায়িত করতে পারে। এখানে এমন কিছু বাজে অভ্যাসের বিবরণ তুলে ধরা হলো যেগুলো আপনার ক্যারিয়ার ও জীবনের বড় কোনো সমস্যার পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। অসফল মানুষদের বাজে অভ্যাসগুলোর মধ্যে এই ১২টি অভ্যাস শীর্ষস্থানীয়: ১. সবসময় মুখ বন্ধ রাখেন আপনি সবসময় মাথা নিচু করে রাখেন। উঁচু গলায় কথা বলেন না। নিজেকে সবসময় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আবদ্ধ রাখেন। এতে হয়তো আপনি কর্মস্থলে ভালোই প্রতিরক্ষা পাবেন। কিন্তু এ অভ্যাস আপনাকে কর্মস্থলে উন্নতি থেকেও পেছনে টেনে ধরতে পারে। যদি এমনটা মনে হয়ে যে, আপনার বর্তমান কর্মস্থলের পরিবেশটাই এমন, কেউই সেখানে চাকরি হারানোর ভয়ে মাথা তুলে কথা বলার সাহস পায় না। তাহলে ধরে নিবেন আপনি বিষাক্ত কর্মপরিবেশে কাজ করছেন। এমন পরিস্থিতিতে যদি নিজেকে আপনি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে বুঝবেন আপনি ভয়াবহ বাজে অভ্যাসের খপ্পরে পড়ে গেছেন। ২. স্নায়বিক অস্থিরতায় ভোগেন বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে অভ্যাসটি আপনার জন্য উপকারী হতে পারে। কিন্তু সহকর্মীদের সামনে গিয়ে এই সমস্যায় ভোগা সীমিত করে আনার চেষ্টা করুন। কারণ এতে আপনাকে উদ্বিগ্ন এবং উত্তেজিত দেখায়। যার ফলে সহকর্মীরাও নার্ভাস হয়ে পড়তে পারেন কিংবা অস্বস্তিতে পড়ে যেতে পারেন। এটা এমন এক বদ অভ্যাস যার ফলে অন্যরা আপনার কাছ থেকে দুরে সরে যেতে পারে। ৩. সবসময়ই দেরি করে অফিসে আসেন আপনি যদি প্রায়ই দেরি করে অফিসে আসেন তাহলে বু্ঝে নিবেন আপনার ক্যারিয়ারে দুর্গতি আছে। দেরিতে অফিসে আসার কারণে আপনাকে রেপরোয়া এবং অনির্ভরযোগ্য মনে হবে। ৪. কারো প্রতি বিদ্বেষ আছে বিশেষ কোনো লোককে অপছন্দ বা অবিশ্বাস করার মধ্যে কোনো অস্বাভাবিকতা নেই। তবে কারো প্রতি অবিরাম বিদ্বেষ পোষণ করা ঠিক নয়। এতে শুধু আপনার শক্তি ও সময়েরই অপচয় হবে। অন্যদের কাছেও কারো সম্পর্কে যদি একই অনুভুতি প্রকাশ করেন তাতে লোকে আপনাকে প্রতিশোধ পরায়ণ এবং ভয়ানক ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করবে। সূতরাং ছাড় দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ৫. অন্যের দেখাদেখি কিছু করেন অন্যের দেখাদেখি কিছু করার অভ্যাস ছিল কিশোর বয়সে টিকে থাকার লড়াইয়ের একটি কৌশল। কিন্তু এখন আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছেন এবং আপনার একটি ক্যারিয়ারও আছে। সূতরাং লোকে কী ভাবলো না ভাবলো তার পরোয়া করলে এখন আর চলবে না। আপনার কাজে লাগে এমন কিছুই করুন। আপনি যদি আপনার সব সময় কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করেন তাহলে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই। ৬. অপচয় করেন আপনার যদি অর্থ অপচয় করার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে আর্থিক সংকটে পড়ার সম্ভাবনা আছে আপনার। এখনই সঞ্চয় না করলে ভবিষ্যতে আপনি আর্থিক সংকটে পড়বেন। সূতরাং অপচয়ের পেছনে কোন ধরনের মানসিকতা দায়ী সেটি চিহ্নিত করে এর বিরুদ্ধে লড়াই করুন। ৭. সিদ্ধান্ত গ্রহণে গড়িমসি করেন সিদ্ধান্ত গ্রহণে গড়িমসি করলে আপনার শুধু সময় এবং অর্থের অপচয়ই হবে। এমনকি এর কারণে আপনার চারপাশের লোকদের আপনার প্রতি যে আস্থা ও সম্মান ছিল তাও হারাবেন। ৮. প্রায়ই মিথ্যা বলেন প্রায়ই ছোট ছোট মিথ্যা বলার কারণে একসময়ে এসে আপনি বড় মিথ্যার জালে আটকা পড়বেন। সূতরাং আজই এই অভ্যাস ত্যাগ করুন। তবে আপনি হয়তো প্রতারক ও মিথ্যাবাদিদের বিশাল কোনো সাফল্যের গল্প হরহামেশাই শুনে থাকবেন। কিন্তু তাই বলে আপনিও একই পথে সাফল্য লাভ করবেন এমনটা ভাবা ঠিক নয়। ৯. না ভেবেই কথা বলেন কোনো বিষয়ে ভালো মতো ভাবনা-চিন্তা না করে কথা বলবেন না। সবসময়ই মাথায় যা আসে তা-ই বলে বসবেন না। এটি একটি পীড়াদায়ক অভ্যাস। এতে আপনাকে অনেক বেশি রুঢ়, কদর্য এবং অনবগত লোক বলে মনে হবে। ১০. গুজব ছড়ান গুজব ছড়ানোর অভ্যাসটি খুবই বাজে ও বিভ্রান্তিকর। আপনার যদি সহকর্মীদের ব্যাপারে গুজব ছড়ানোর অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে জেনে রাখুন এই গুজবের ফাঁদে আপনি নিজেও পড়তে পারেন। আর তাছাড়া এর ফলে সহকর্মী এবং বসদের সঙ্গেও আপনার মারাত্মক দুরত্ব তৈরি হতে পারে। ১১. সবসময়ই অভিযোগ করেন মাঝে মধ্যে নিজের অভাব-অভিযোগগুলো অন্যদের জানান দেওয়াটা একেবারে অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু আপনি যদি প্রতিনিয়তই তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়েও অভিযোগ করে যেতে থাকেন তাতে আপনারই ক্ষতি হবে। ১২. প্রায়ই অন্যমনস্ক হয়ে পড়েন চারপাশের সবকিছু ভুলে ভালো কোনো বই পড়ায় মনোযোগ দেওয়ার জন্য অন্যমনস্কতা কাজে লাগে বটে। কিন্তু কর্মস্থলে এই ধরনের অভ্যাস আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। যারা প্রায়ই অন্যমনস্ক হয়ে পড়েন তাদের কর্মদক্ষতার প্রতি কারোরই আর আস্থা থাকে না। সূতরাং আপনার দিবাস্বপ্নগুলো সব কাজ শেষ হওয়ার পর দেখার জন্যই জমিয়ে রাখুন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ