1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১০:৩৯ আজ বুধবার, ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




এমপি লিটন হত্যাকারী এমপি কর্ণেল (অব:) কাদের খান- ডিআইজি

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ২৬৮ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
সাংসদ মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে কর্ণেল (অবসরপ্রাপ্ত) ডা. আবদুল কাদের খানই মূল জড়িত বলে  সংবাদ সম্মেলনে জানান পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজ খন্দকার গোলাম ফারুক। বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এমপি লিটন হত্যাকান্ডে ক্লিয়ারদের ভাড়া করেছিলেন ডা. কাদের খান। এছাড়া এর পরবর্তী টার্গেট ছিলো একই আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীয় প্রার্থী শামিম হায়দার পাটোয়ারী। মূলত সুন্দরগঞ্জ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্যই এমপি লিটনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
এছাড়া ডা. কাদের খান ৪ জন ক্লিয়ারকে দীর্ঘদিন ধরে লালন পালন করে আসছেন। তারা হলেন, আব্দুল হান্নান, মেহেদী হাসান, শাহীন মিয়া ও রানা মিয়া।
এদের মধ্যে আব্দুল হান্নান আটক জাপার সাবেক এমপি ডা. আব্দুল কাদের খানের ব্যক্তিগত গাড়ি চালক, শাহীন এমপির ভাতিজা এবং মেহেদী তার বাড়ির কাজের লোক। রানা ছাড়া বাকি ৩ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। এছাড়া রানা মিয়াকে পুলিশ নজরবন্দী করে রেখেছে। যেকোন মহুর্তে তাকেও গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।
আটক কর্ণেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খাঁন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি। তার বাড়ী সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি (খাঁনপাড়া)। তিনি ওই গ্রামের মৃত্যু নয়ান খাঁন ছেলে। তিনি স্ব-পরিবারের বগুড়া জেলা শহরের গরীব শাহ ক্লিনিকের চার তলা ভবনের ওপর তলায় বসবাস করতেন। মঙ্গলবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে আটক করে।
এরআগে, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে শাহবাজ (মাস্টাপাড়া) এলাকায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল বাদি হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে ১ ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় কর্ণেল আবদুল কাদের খাঁনসহ ১১০ জনকে আটক করে পুলিশ। এরমধ্যে ২৪ জনকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ